• ২৪ মাঘ ১৪৩২, বৃহস্পতি ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ই-পোর্টাল

Janatar Katha

Banner Add
  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও
  • এছাড়াও
    • উৎসব
    • ব্যবসা
    • স্বাস্থ্য
    • শিক্ষা
    • প্রযুক্তি
    • হেঁসেল

Amartya Sen

কলকাতা

এসআইআর ইস্যুতে নোবেলজয়ীর বক্তব্যে অস্বস্তিতে বিজেপি? রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে

এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে এবার প্রকাশ্যে ক্ষোভ জানালেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন। এর আগে তাঁকে এসআইআর সংক্রান্ত একটি নোটিস দেওয়া হয়েছিল, যা ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে শুরু হয়েছিল তীব্র চাপানউতোর। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই নোটিসের প্রতিবাদে সরব হয়েছিলেন। অন্যদিকে বিজেপির বক্তব্য ছিল, আইন সবার জন্যই সমান। এই আবহেই এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুললেন খোদ অমর্ত্য সেন।মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে সংবাদসংস্থা পিটিআই-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অমর্ত্য সেন বলেন, ভোটার তালিকা সংশোধনের কাজ হাতে পর্যাপ্ত সময় নিয়ে, গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে হলে তা অবশ্যই ভাল সিদ্ধান্ত। কিন্তু বাংলায় সেই প্রক্রিয়া সঠিকভাবে হচ্ছে না। তাঁর অভিযোগ, এসআইআর নিয়ে অযথা তাড়াহুড়ো করা হচ্ছে। সামনে বিধানসভা নির্বাচন থাকলেও, তার আগে সাধারণ ভোটারদের নিজেদের ভোটাধিকার প্রমাণ করার জন্য যথেষ্ট সময় দেওয়া হচ্ছে না। এই পরিস্থিতি গণতান্ত্রিক অধিকারকে লঙ্ঘন করতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেন তিনি।অমর্ত্য সেনের এই মন্তব্যের পরই কড়া প্রতিক্রিয়া দেন বিজেপি বিধায়ক ও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, অমর্ত্য সেনের কথার উত্তর দেওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই। শুভেন্দুর বক্তব্য, তিনি সবসময় এই ধরনের কথা বলে থাকেন এবং তাঁর কথার বিশেষ গুরুত্ব নেই। আরও এক ধাপ এগিয়ে শুভেন্দু বলেন, পশ্চিমবঙ্গে অমর্ত্য সেন কোনও শিক্ষিত যুবকের কর্মসংস্থান করেছেন বা কোনও গরিব মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেনএমন উদাহরণ নেই। যাঁদের বাংলাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে কোনও অবদান নেই, তাঁদের মন্তব্যের জবাব দেওয়া হবে না বলেও জানান তিনি।শুভেন্দু অধিকারীর এই মন্তব্যে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তৃণমূল নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য বলেন, একজন নোবেলজয়ী ব্যক্তিত্বকে নিয়ে এ ধরনের মন্তব্য করা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। তিনি প্রশ্ন তোলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলার জন্য অবদান কী। দেবাংশুর দাবি, নোবেল পুরস্কার বুঝেশুনেই দেওয়া হয়। পাশাপাশি বিজেপিকে আক্রমণ করে তিনি বলেন, যে বাঙালিরা স্বাধীনতা সংগ্রামে লড়াই করেছিলেন, তাঁদের আজ নাগরিকত্ব প্রমাণের জন্য লাইনে দাঁড় করানো হচ্ছে।এসআইআর ইস্যুতে অমর্ত্য সেনের মন্তব্য এবং তার পাল্টা রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়ায় রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে উত্তেজনা ছড়াল। বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই বিতর্ক আরও তীব্র হবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

জানুয়ারি ২৬, ২০২৬
রাজ্য

অমর্ত্য সেনের বয়সে গরমিল? এসআইআর নোটিস নিয়ে বিস্ফোরক দাবি অভিষেকের

নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনকে শুনানির জন্য ডেকে পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মঙ্গলবার বীরভূমের রামপুরহাটে এক জনসভা থেকে তিনি এই দাবি করেন। নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, অমর্ত্য সেনের পূরণ করা এসআইআর ফর্মে তথাকথিত লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি, অর্থাৎ তথ্যগত গরমিল রয়েছে বলেই তাঁকে শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে।কমিশন সূত্রের দাবি, অমর্ত্য সেন ও তাঁর মায়ের বয়সের পার্থক্য নথিতে মাত্র ১৫ বছর দেখানো হয়েছে, যা তথ্যগতভাবে অসঙ্গত। সেই কারণেই লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির অভিযোগ তুলে নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।রামপুরহাটের সভামঞ্চ থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সভায় আসার পথে তিনি শুনেছেন, অমর্ত্য সেনকে নোটিস পাঠানো হয়েছে। যিনি ভারতের হয়ে নোবেল পুরস্কার এনে দিয়েছেন, যাঁর জন্য দেশ বিশ্বমঞ্চে গর্বিত, সেই মানুষকেই এসআইআর-এর নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। এই প্রসঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, হায় রে পোড়া কপাল!এই ঘটনার মধ্যেই বুধবার সকালে বোলপুরের শান্তিনিকেতনে অমর্ত্য সেনের প্রতিচী বাড়িতে যান স্থানীয় বিএলও শ্যামাব্রত মুখোপাধ্যায়। যদিও বর্তমানে অমর্ত্য সেন ওই বাড়িতে নেই। তাঁর আবাসেই এসআইআর সংক্রান্ত নোটিস পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।এই প্রসঙ্গে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আরও বলেন, শুধু অমর্ত্য সেন নন, ভারতীয় ক্রিকেট দলের তারকা মহম্মদ সামিকেও এসআইআর-এর নোটিস পাঠানো হয়েছে। যিনি বিশ্বকাপ জিতে দেশের নাম উজ্জ্বল করেছেন, তাকেও ছাড় দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ তোলেন তিনি। একই সঙ্গে বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেতা দেবকেও নোটিস পাঠানোর কথা উল্লেখ করেন অভিষেক। দেবের সঙ্গে তাঁর পরিবারের আরও তিন সদস্যকেও নোটিস দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।এই লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি প্রসঙ্গটি নিয়ে সম্প্রতি মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের সঙ্গে বৈঠকেও আলোচনা করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বৈঠকের পর সাংবাদিকদের সামনে তিনি বলেন, এই লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির আড়ালেই ভোট চুরির আসল রহস্য লুকিয়ে রয়েছে।অভিষেকের অভিযোগ, এনুমারেশন ফর্মে সামান্য তথ্যগত গরমিল দেখিয়ে সাধারণ ভোটারদের বারবার শুনানির নোটিস পাঠানো হচ্ছে। শুরু থেকেই তাঁর দাবি, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে প্রায় ১ কোটি ৩৩ লক্ষ ভোটারের নামকে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি-র অজুহাতে সন্দেহজনক তালিকায় রাখা হয়েছে।

জানুয়ারি ০৭, ২০২৬
রাজ্য

নোবেলজয়ীকেও কাগজ দেখাতে হবে! এসআইআর নোটিসে বিস্ফোরক প্রতিক্রিয়া অভিষেকের

নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনকেও এসআইআর বা স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশনের শুনানির নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সোমবার এক কাউন্সিলর দাবি করেছিলেন, অভিনেতা দীপক অধিকারী ওরফে দেব, অভিনেত্রী লাবণী সরকার-সহ একাধিক তারকাকে এসআইআর শুনানিতে ডাকা হয়েছে। এমনকী ভারতীয় ক্রিকেটার মহম্মদ শামিকেও নোটিস পাঠানো হয়েছে বলেও খবর ছড়ায়। মঙ্গলবার নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, অমর্ত্য সেনকেও প্রয়োজনীয় নথি দেখাতে বলা হয়েছে।এই ঘটনায় তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন ডায়মন্ড হারবারের তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, পথে আসতে আসতেই তিনি শুনেছেন যে অমর্ত্য সেনকে শুনানির নোটিস পাঠানো হয়েছে। তাঁর বক্তব্য, যিনি ভারতের হয়ে নোবেল পুরস্কার এনে দিয়েছেন, যাঁর জন্য বিশ্বমঞ্চে দেশের নাম উজ্জ্বল হয়েছে, সেই মানুষকেই শুনানির নোটিস পাঠানো হচ্ছে।এদিন ফের একবার এসআইআর প্রক্রিয়া নিয়ে নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন অভিষেক। তাঁর অভিযোগ, সাধারণ মানুষকে মানসিক ও শারীরিকভাবে হেনস্থা করে শুনানির নামে ডাকা হচ্ছে। বীরভূমের মানুষ এই ঘটনার জবাব দেবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পাশাপাশি আগামী নির্বাচনে বীরভূম থেকে তৃণমূলকে জেতানোর আবেদনও জানান সাংসদ।অভিষেক দেব ও মহম্মদ শামিকে নোটিস পাঠানো নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, বাংলা সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা দেব এবং দেশের হয়ে খেলা ক্রিকেটার শামিকেও নোটিস পাঠানো হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, একের পর এক মানুষকে আনম্যাপ করার চেষ্টা চলছে। তিনি কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, আগামী দিনে বিজেপিকেই আনম্যাপ করে দিতে হবে। যদিও দেব এই প্রসঙ্গে টিভি৯ বাংলাকে জানিয়েছেন, তিনি এই ধরনের কোনও নোটিসের কথা জানেন না।অন্যদিকে, অমর্ত্য সেনকে এসআইআর নোটিস পাঠানো নিয়ে প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, বানানে ভুল থাকতে পারে। নির্বাচন কমিশন নিশ্চয়ই বিষয়টি খতিয়ে দেখবে। তাঁর দাবি, কান্তি গঙ্গোপাধ্যায়ের বাড়িতেও আগে নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকরা গিয়েছিলেন এবং শুনানি হয়েছে। একইভাবে প্রয়োজন হলে অমর্ত্য সেনের বাড়িতেও বিএলও যেতে পারেন।

জানুয়ারি ০৬, ২০২৬
রাজ্য

“অমর্ত্য সেনের বাড়িতে হাত দিলে আমি যা দেব না”, হুঙ্কার মুখ্যমন্ত্রীর, প্রতিবাদ মিছিল শান্তুনিকেতনে

জমি ইস্যুতে অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য় সেনের পাশে যে রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় রয়েছেন তা ফের ঘোষণা করে জানিয়ে দিলেন। আন্দোলনে নামার নির্দেশও দিয়ে গেলেন তিনি। অমর্ত্য সেনের বাড়িতে হাত দিলে আমি যা দেব না, আমায় চেনে না। মালদা থেকে ট্রেনে কলকাতা ফেরার পথে বোলপুর ষ্টেশনে দাঁড়িয়ে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষকে এভাবেই হুঁশিয়ারি দিয়ে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই সঙ্গে দলীয় কর্মীদের নির্দেশ দেন মহিলাদের সামনে রেখে আন্দোলনে শামিল হতে। বঙ্গজননী ও পড়ুয়াদের সামনে রেখে আন্দোলনে করতে নির্দেশ দেন তিনি।ঘোষণা মতো শুক্রবার রবীন্দ্রভূমীতে রক্তকরবী মঞ্চস্থের মধ্য দিয়ে ভারতরত্ন অমর্ত্য সেনকে অমর্যাদার জন্য প্রতিবাদ জানানো হয়। কলকাতা থেকে চিত্রপরিচালক গৌতম হালাদার, অভিনেত্রী চৈতী ঘোষ সহ অনান্য শিল্পীর রক্তকরবী মঞ্চস্থ করে প্রতিবাদে শামিল হয়। শান্তিনিকেতন এখন যক্ষপুরী হয়ছে বলে দাবি করছেন শিল্পীরা।নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনকে উচ্ছেদের হুঁশিয়ারি, মানববন্ধন ও নাটকের মধ্য দিয়ে প্রতিবাদ হয় শান্তিনিকেতনে। এদিন প্রতীচী বাড়ি সংলগ্ন মোড় থেকে বিশ্বভারতীর সমবায় ব্যাঙ্ক পর্যন্ত পদযাত্রা করেন সামাজিক মর্যাদা রক্ষা কমিটি। পরে রাস্তার উপর রক্তকরবী নাটক পরিবেশন করে প্রদিবাদ করেন শিল্পীরা৷এদিকে ফের বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের পক্ষে ভারপ্রাপ্ত জনসংযোগ আধিকারিক মহুয়া বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, আমরা আদালতকে মর্যাদা দিই। ম্যাজিস্ট্রেট অমর্ত্য সেনের প্রতীচী বাড়ির সামনে ১৪৪ ধারা জারি করেছে। তা এখনও প্রত্যাহার করা হয়নি। সেই ধারা লঙ্ঘন করে কি করে এত মানুষ জমায়েত হয়ে কর্মসূচি করতে পারে? আইন কি শুধু বিশ্বভারতীর জন্যই?নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন ১৩ ডেসিমেল জমি দখল করে রেখেছেন। বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের এই অভিযোগ নিয়ে নিন্দার ঝড় ওঠে সর্বস্তরে। তবে প্রয়াত পিতা আশুতোষ সেনের উইল অনুযায়ী উত্তরাধিকার সূত্রে জমি তাঁরই, দাবি করেন অমর্ত্য সেন। ইতিমধ্যেই এই মর্মে সিউড়ি জেলা আদালত ও কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অধ্যাপক সেন। হাইকোর্ট বিশ্বভারতীর জমি খালি করার নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ দিয়েছে।কিন্তু, দিনের পর দিন বিশ্ব বরেণ্য ভারতরত্ন অমর্ত্য সেনকে জমি দখলকারী, জমি কব্জাকারী প্রভৃতি শব্দে বলে এক প্রকার হেনস্থা ও অবমাননা করা হচ্ছে বলে অভিযোগ ওঠে। এই মর্মে অমর্ত্য সেনের পাশে দাঁড়িয়ে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের ভূমিকার প্রতিবাদে সরব হয়েছেন বিভিন্ন সংগঠনের মানুষজন।শুক্রবার অমর্ত্য সেনকে উচ্ছেদের হুঁশিয়ারির প্রতিবাদে প্রতীচী বাড়ি সংলগ্ন শিক্ষাভবন মোড় থেকে পদযাত্রা করেন সামাজিক মর্যাদা রক্ষা কমিটি। কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলা থেকে নাট্যকর্মী, সমাজকর্মী, অধ্যাপক-অধ্যাপিকা, শিক্ষাবিদেরা অংশ নেন মানববন্ধন কর্মসূচিতে। প্রতিবাদ মিছিলে হাজির ছিলেন শান্তিনিকেতনের আশ্রমিকেরাও। উপাসনা গৃহের সামনের রাস্তা দিয়ে মিছিল শেষ হয় বিশ্বভারতীর সমবায় ব্যাঙ্কের কাছে৷ সেখানে রাস্তার উপর রক্তকরবী নাটক মঞ্চস্থ করে প্রতিবাদ করেন নাট্যকর্মীরা।

মে ০৬, ২০২৩
রাজ্য

অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের ‘দখলীকৃত’ জমি খালি করার চূড়ান্ত নোটিস বিশ্বভারতীর

বিশ্বভারতী ও নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের মধ্যে জমি নিয়ে দ্বন্দ্ব যেন কিছুতেই মেটার নয়। এই গন্ডগোলের মাঝে অমর্ত্য সেনের বাড়িতে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। জমি সংক্রান্ত বিষয়ে সবরকম আশ্বাস দিয়ে এসেছিলেন অর্থনীতিবিদকে। এদিকে ফের বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ। একেবারে অমর্ত্য সেনের বাড়ি প্রতীচীর গেটে সেই নোটিস সাঁটিয়ে দিয়ে এসেছে। নোটিসে বলা হয়েছে ১৫ দিনের মধ্যে অমর্ত্য সেনের বাড়ি প্রতীচীর দখল করা ১৩ ডেসিমেল জায়গা খালি করতে হব। জানা গিয়েছে, বুধবার রাত ১১ টা নাগাদ সেই নোটিস জারি করা হয়েছে। নোটিসে স্পষ্ট বলা হয়েছে, জমি খালি না করলে উচ্ছেদ করা হবে।এর আগেও অমর্ত্য সেনকে নোটিস দিয়েছিল বিশ্বভারতী কতৃপক্ষ। এবার আর শুধু নোটিস দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ক্ষান্ত থাকেনি। অমর্ত্য সেনের দখল করা জমি উদ্ধারে চূড়ান্ত পদক্ষেপ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। এই পদক্ষেপের পাল্টা আইনি যুক্তি দিয়ে বিশ্বভারতীকে চিঠি দিয়েছেন নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ। অমর্ত্য সেন চিঠিতে জানতে চেয়েছেন যে, কোন আইনে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ তাঁকে উচ্ছেদ করার কথা বলেছে। গত ১৭ এপ্রিল অর্থনীতিবিদ বিশ্বভারতীর যুগ্ম কর্মসচিবকে এই চিঠি দিয়েছিলেন। চিঠিতেই অমর্ত্য সেন জানিয়েছেন তিনি জুন মাসে শান্তিনিকেতনে ফিরবেন।

এপ্রিল ২০, ২০২৩
রাজ্য

নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ 'বঙ্গবিভূষণ' নিতে পারছেন না, কারণ নিয়ে তর্জা তুঙ্গে

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের দেওয়া বঙ্গবিভূষণ পুরস্কার গ্রহণ করতে পারছেন না নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন। তাঁর ঘনিষ্ট মহল সূত্রে খবর, তিনি সারা কর্মজীবনে অনেক পুরস্কার পেয়েছেন, এবার, নতুন কাউকে সেই সম্মান দেওয়া উচিত বলে জানিয়েছেন অমর্ত্য সেন। বর্তমানে অমর্ত্য সেন বিদেশে আছেন। সোমবার রাজ্য সরকারের এই সম্মান জ্ঞাপণ অনুষ্ঠানে তিনি কলকাতায় উপস্থিত থাকবেন না। সূত্রের খবর, তাঁর মতামত জেনেই পুরস্কারপ্রাপকের চূড়ান্ত তালিকায় অমর্ত্য সেনের নাম রাখা হয়নি। নোবেলজয়ীর পরিবার সূত্রে খবর অমর্ত্য সেন কলকাতায় ফিরছেন না, তাই পুরস্কার নিতে পারছেন না।প্রসঙ্গত, অমর্ত্যের বঙ্গবিভূষণ পুরস্কার নিতে না করার খবর প্রকাশ্যে আসার সময়েই রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী পার্থ চ্যাটার্জিকে নিয়ে তৃণমূল কিছুটা অস্বস্তিতে। ফলে বিরোধী শিবিরের একাংশ (প্রধানত সিপিএম) বলতে শুরু করে যে পার্থর ঘটনার প্রতিবাদেই অমর্ত্য সেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।উল্লেখ্য, কিছুদিন আগেই সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী এসএসসি শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির নিয়ে কলকাতা শহরে ধর্মতলায় ধর্নায় বসা ছাত্র ছাত্রীদের কাছে উপস্থিত হন, এবং সেখানে তিনি বক্তব্য রাখতে গিয়ে শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগে রাজ্যের মন্ত্রীর পার্থ-র ইডি কর্তৃক গ্রেফতারের পরিপ্রেক্ষিতে অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন ও অভিজিৎ বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়কে উদ্দশ্য করে এই পুরস্কার না নেওয়ার আবেদন জানান। সুজনের দাবী, তাঁদের আবেদন মেনেই এই পুরস্কার না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন অমর্ত্য। সিপিএম ও একাংশের দাবি, সেই ডাকে সাড়া দিয়েই সম্মান নিতে রাজি হননি অমর্ত্য। যদিও সূত্রের খবর, অমর্ত্য তার আগেই নিজের সিদ্ধান্ত জানিয়েছিলেন।সোমবার, রাজ্য সরকারের দুই নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন এবং অভিজিৎ বিনায়ক ব্যানার্জীকে বঙ্গ বিভূষণ সহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সম্মান জানানোর কথা ছিল। একটি সূত্রের খবর, অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় বর্তমানে ফ্রান্সে রয়েছেন। তাই তিনিও এই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারবেন না।সোমবার বিকেলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নজরুল মঞ্চে বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের বঙ্গভূষণ ও বঙ্গবিভূষণ পুরস্কার প্রদান করবেন। ভারতীয় ফুটবলে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ বাংলার তিন প্রধান খ্যাত মোহনবাগান, ইস্টবেঙ্গল ও মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাবকেও বঙ্গবিভূষণ সম্মানে ভূষিত করা হবে। এসএসকেএম সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালকেও একটি প্রতিষ্ঠান হিসাবে তাঁর সার্বিক সাফল্যের জন্য সম্মান দেওয়া হবে।

জুলাই ২৫, ২০২২
রাজ্য

করোনা আক্রান্ত অমর্ত্য সেন, রাজ্যে বেড়েই চলেছে সংক্রমিতের সংখ্যা

করোনার থাবা কিছুতেই কমছে না রাজ্যে। বরং ক্রমশ বেড়েই চলেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এদিকে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন নোবলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন। তিনি শান্তিনিকেতনের বাড়িতেই আইসোলেশনে আছেন। বাড়িতে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে রয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছে। আপাতত নোবেলজয়ীর ইংল্যান্ড যাত্রা বাতিল হয়েছে।গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় সংক্রিমত হয়েছেন ২,৯৬৮ জন। গতকাল এই সংখ্যাটা ছিল ২,৯৫০ জন। এদিনও জেলাগুলির মধ্যে আক্রান্তের সংখ্য়ায় শীর্ষে উত্তর ২৪ পরগনা। এই জেলায় আক্রান্ত হয়েছেন ৭৪৩ জন। ঠিক পরের স্থান কলকাতার। মহানগরে আক্রান্ত হয়েছে ৭৪২জন। মোট ৯টি জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা ১০০-এর ওপর। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরকে চিন্তায় ফেলেছে করোনার এই বাড়বাড়ন্ত। কমার কোনও লক্ষণ আপাতত দেখা যাচ্ছে না।করোনা আক্রান্ত হয়ে একদিনে মৃত্যু হয়েছে ৩ জনের। এদিন মোট সুস্থ হয়েছেন ৬৬২ জন। হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন ৬০৪ জন। হোম আইসোলেশনে আছেন ২০,৫৫৫জন। এদিন পজিটিভিটি রেট ছিল ১৫.৬৯।

জুলাই ০৯, ২০২২
কলকাতা

অমর্ত্য সেনের অসম্মান করছে বিজেপি, প্রতিবাদ করুন বুদ্ধিজীবীরাও: মমতা

অমর্ত্য সেন আদর্শগতভাবে ওদের বিরোধী বলে তাঁকে নানাভাবে অসম্মান করছে বিজেপি। প্রতীচী নিয়ে অমর্ত্য সেনের এই অসম্মান আমাদের সবার অসম্মান। বুদ্ধিজীবীদের কাছে আমার আবেদন, আপনারাও এর প্রতিবাদ করুন। বৃহস্পতিবার ২৪ ডিসেম্বর ২০২০ নবান্নে এ কথা বলে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, আমি বোলপুরে একটা মিছিল করব। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, অমর্ত্য সেনকে কেন অসম্মান করা হচ্ছে? বিদ্যাসাগরের মূর্তি কেন ভেঙেছে, কেন অসম্মান করছে? পৌষমেলা কেন বন্ধ হলো? এই সবের কৈফিয়ত চাইব। বিনা কৈফিয়তে এক ইঞ্চি জমি ছাড়ব না। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সঙ্গে অমর্ত্য সেনের পরিবারের সম্পর্কের ইতিহাস যারা জানে না তারা মিথ্যাচার, কুৎসা করছে। আমাকে আঘাত করতে গিয়ে মণীষীদের অসম্মান করছে! বাংলার ইতিহাস ভুলিয়ে দিতে দেব না। বিশ্বভারতীর শতবর্ষের অনুষ্ঠানে তাঁকে চিঠি পাঠিয়ে বা ফোন করে কোনও আমন্ত্রণ জানানো হয়নি বলে দাবি করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই অনুষ্ঠানে ডাকা না হলেও আমি নিজে টুইট করেছি। আমি ২৮ তারিখ বোলপুরে গেলে যেতে বলেছিলেন উপাচার্য। কিন্তু দেড় দিনে ঠাসা কর্মসূচি থাকায় এবার যেতে পারছি না। কেন্দ্রকে নিশানা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ধর্মীয় উগ্রবাদ বিশ্বভারতীকে শেষ করতে পারে না। এ সব টেম্পোরারি। আর তো কয়েকটা দিন। ডেজ আর নাম্বারড। আমি সহজ সরল ঘরের মেয়ে, আমাকে যা খুশি বলে আক্রমণ করছে, কিছু বলি না ভেবে। আমাকে বলে কী আর করবে? যত আক্রমণ করুক আমিই জিতব।

ডিসেম্বর ২৪, ২০২০

ট্রেন্ডিং

দেশ

লোকসভায় বিস্ফোরণ! স্পিকারের ঘরে ঢুকে গালিগালাজ? কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ

বাজেট অধিবেশন ঘিরে লোকসভায় শাসক ও বিরোধীদের সংঘাত আরও তীব্র হয়েছে। কংগ্রেস সহ ইন্ডিয়া জোট লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লার বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব আনার উদ্যোগ নিয়েছে। তার মাঝেই স্পিকারকে গালিগালাজ করার অভিযোগ ঘিরে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কিরণ রিজিজু অভিযোগ করেছেন, কংগ্রেসের ২০ থেকে ২৫ জন সাংসদ একসঙ্গে স্পিকারের ঘরে ঢুকে তাঁকে গালিগালাজ করেন। তিনি দাবি করেন, ঘটনাস্থলে তিনি নিজেও উপস্থিত ছিলেন। সংসদে দাঁড়িয়ে রিজিজু বলেন, কংগ্রেস সাংসদদের আচরণ অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং তা বর্ণনা করার মতো নয়। তাঁর কথায়, স্পিকার নরম স্বভাবের মানুষ বলেই তিনি কোনও কঠোর পদক্ষেপ নেননি।রিজিজু আরও অভিযোগ করেন, যখন কংগ্রেস সাংসদরা স্পিকারের ঘরে ঢুকে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন, তখন সেখানে মল্লিকার্জুন খাড়্গে ও প্রিয়ঙ্কা গান্ধীর মতো সিনিয়র নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। তাঁর দাবি, তাঁরা পরিস্থিতি শান্ত করার বদলে উল্টে আরও উসকানি দিচ্ছিলেন। বিজেপির অভিযোগ, সংসদের মর্যাদা নষ্ট করা হয়েছে।অন্যদিকে, কংগ্রেসের তরফে এই অভিযোগ নিয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে অনাস্থা প্রস্তাবকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক উত্তাপ যে আরও বাড়তে চলেছে, তা স্পষ্ট।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
খেলার দুনিয়া

গম্ভীরের ডিনার ছেড়ে হাসপাতালে! নামিবিয়া ম্যাচে বড় ধাক্কা কি টিম ইন্ডিয়ায়?

বিশ্বকাপের মাঝেই বড় ধাক্কা টিম ইন্ডিয়ায়। হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন অভিষেক শর্মা। দিল্লিতে নামিবিয়ার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ম্যাচের আগে এই খবর স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ বাড়িয়েছে ভারতীয় শিবিরে। অভিষেক ওই ম্যাচে খেলতে পারবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। দলের পক্ষ থেকে তাঁর শারীরিক অবস্থা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।জানা গিয়েছে, অভিষেকের পাকস্থলীতে সংক্রমণ হয়েছে। আমেরিকার বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচের আগেই তিনি পেটের সমস্যায় ভুগছিলেন। ম্যাচের পর তাঁর শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়। উচ্চ জ্বর আসে এবং ওষুধ দেওয়া হলেও তাতে বিশেষ উপকার হয়নি। তিনি দলের সঙ্গে অনুশীলনেও অংশ নিতে পারেননি। দিল্লিতে কোচ গৌতম গম্ভীরের আয়োজিত নৈশভোজেও কিছুক্ষণ থাকার পর চলে যান অভিষেক।ভারতীয় দলের সহকারী কোচ রায়ান টেন দুশখাতে কয়েক দিন আগে জানিয়েছিলেন, অভিষেকের পেটের সমস্যা রয়েছে, তবে দুদিনের মধ্যে তাঁকে মাঠে পাওয়া যেতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে। কিন্তু বর্তমানে পরিস্থিতি দেখে সেই সম্ভাবনা অনেকটাই কমে গিয়েছে বলেই মনে করা হচ্ছে। যদি তিনি খেলতে না পারেন, তা হলে তাঁর জায়গায় সঞ্জু স্যামসনের সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে অভিষেকের অনুপস্থিতি ভারতীয় দলের জন্য বড় ধাক্কা হতে পারে।এর আগে চোটের কারণে দল থেকে ছিটকে গিয়েছেন হর্ষিত রানা। ওয়াশিংটন সুন্দর এখনও পুরোপুরি সুস্থ নন। এই পরিস্থিতিতে অভিষেকের অসুস্থতা দলের চিন্তা আরও বাড়িয়েছে। তবে স্বস্তির খবর, অসুস্থতা কাটিয়ে এদিন দলের সঙ্গে অনুশীলন করেছেন জসপ্রীত বুমরা। নামিবিয়ার বিরুদ্ধে তাঁর খেলা নিয়ে কোনও সংশয় নেই।বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের আগে ভারতীয় দলের ওপর এখন চাপ আরও বেড়ে গেল।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
দেশ

বেলডাঙা মামলায় রাজ্যকে বড় ধাক্কা! NIA তদন্তে সায় সুপ্রিম কোর্টের

বেলডাঙা হিংসা মামলায় সুপ্রিম কোর্টে বড় ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। বেলডাঙার অশান্তির ঘটনায় NIA তদন্তে সায় দিল শীর্ষ আদালত। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিল, এই মামলায় কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে আলাদা করে হস্তক্ষেপ করা হবে না।এর আগে কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, বেলডাঙার পরিস্থিতি মোকাবিলায় রাজ্য সরকার কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করবে। পাশাপাশি কেন্দ্র যদি প্রয়োজন মনে করে, তবে NIA তদন্তও হতে পারে। এই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই সুপ্রিম কোর্টে যায় রাজ্য সরকার। রাজ্যের পক্ষে সওয়াল করেন আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে বুধবার সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের রায়ই বহাল রাখে এবং মামলাটি ফের হাইকোর্টে পাঠিয়ে দেয়।শীর্ষ আদালত জানিয়েছে, UAPA-এর ১৫ নম্বর ধারা প্রয়োগ সঠিক হয়েছে কি না, সেই বিষয়টি কলকাতা হাইকোর্ট খতিয়ে দেখবে। অর্থাৎ তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া আপাতত হাইকোর্টের নজরেই চলবে।জানুয়ারি মাসের শুরুতে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। অভিযোগ ওঠে, ঝাড়খণ্ডে এক পরিযায়ী শ্রমিককে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। মৃতদেহ জেলায় ফেরার পরই এলাকায় উত্তেজনা ছড়ায়। টায়ার জ্বালিয়ে রাস্তা অবরোধ করা হয়। শিয়ালদহ-লালগোলা শাখার মহেশপুর এলাকায় রেললাইনেও অবরোধ করা হয়। রেললাইনে বাঁশ ফেলে দেওয়া হয় এবং সেখানে মৃতদেহের ঝুলন্ত ছবি দেখা যায়। পুলিশ পৌঁছলে স্থানীয়দের সঙ্গে বচসা বাধে। পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।ঘটনাস্থলে খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে আক্রান্ত হন সাংবাদিকরাও। এই ঘটনায় সাংসদ ইউসুফ পাঠান কেন সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় যাননি, তা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। তিন দিন পর তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৩০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে একজন মিম নেতা বলেও জানা গেছে।এই অশান্তি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মন্তব্য করেছিলেন, শুক্রবার জুম্মাবারের দিন সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ধর্মীয় অনুভূতি জড়িত থাকে। কেউ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে উস্কানি দিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করেছে বলেও ইঙ্গিত দেন তিনি।বেলডাঙায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবি আগে থেকেই তুলেছিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। হাইকোর্টে মামলা হলে প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি পার্থসারথি সেনের ডিভিশন বেঞ্চ কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দেয়। পাশাপাশি NIA তদন্তের ক্ষেত্রে কেন্দ্রকে স্বাধীনতা দেওয়া হয়।সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্টের সেই নির্দেশে হস্তক্ষেপ না করায় রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, সুপ্রিম কোর্ট রাজ্যের আবেদন গ্রহণ করেনি এবং মামলাটি ফের হাইকোর্টে পাঠিয়েছে। তিনি দাবি করেন, রাজ্যের আবেদনে শীর্ষ আদালত গুরুত্ব দেয়নি।সব মিলিয়ে বেলডাঙা হিংসা মামলায় NIA তদন্তের পথে বড় বাধা সরল বলেই মনে করা হচ্ছে। এখন নজর থাকবে হাইকোর্টে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার দিকে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

ভোটের আগে বিস্ফোরক ভিডিও! ভবানীপুরে বিজেপির পতাকায় আগুন, তৃণমূলকে নিশানা শুভেন্দুর

বিধানসভা ভোটের আগে ভবানীপুরে রাজনৈতিক উত্তেজনা আরও বাড়ল। একটি সিসিটিভি ফুটেজ ঘিরে শুরু হয়েছে নতুন বিতর্ক। ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, ফাঁকা রাস্তায় দাঁড়িয়ে রয়েছে একটি বা দুটি ট্যাক্সি। সেই সময় টুপি পরে মুখ ঢাকা দুজন ব্যক্তি সেখানে এসে একটি বিজেপি পতাকা নামিয়ে তাতে আগুন ধরিয়ে দেন। এই ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যদিও ভিডিয়োর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা যায়নি।ঘটনাকে ঘিরে সরব হয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর দাবি, আসন্ন বিধানসভা ভোটে ভবানীপুর আর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্য নিরাপদ আসন নয়। পতাকা পোড়ানোর ঘটনাকে তিনি রাজনৈতিক সন্ত্রাস বলে অভিযোগ করেন। শুভেন্দুর কথায়, ভবানীপুরে বিজেপির কার্যালয়ের কাছে তৃণমূল কর্মীরাই এই কাজ করেছে। তিনি আরও বলেন, যত বিজেপির পতাকা পোড়ানো হবে, ততই মানুষের সমর্থন বাড়বে। নন্দীগ্রামের মতো ভবানীপুরেও মানুষ জবাব দেবে।অন্যদিকে, তৃণমূলের তরফে অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। দলের নেতা জয়প্রকাশ মিশ্র বলেন, যদি সত্যিই এমন ঘটনা ঘটে থাকে, তাহলে পুলিশের কাছে অভিযোগ করুন। শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিযোগ করে লাভ নেই। তিনি দাবি করেন, ভোটের আগে ইস্যু তৈরির চেষ্টা করছে বিজেপি।উল্লেখ্য, ভোটের আগে ভবানীপুরে একাধিক বৈঠক করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিশেষ করে এসআইআর প্রক্রিয়া সঠিকভাবে হচ্ছে কি না, তা নিয়ে দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করেছেন তিনি। ফলে ভবানীপুর এখন রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। পতাকা পোড়ানোর এই ঘটনা ঘিরে ভোটের আগে রাজনৈতিক তরজা আরও তীব্র হল বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

ডিএ ইস্যুতে মুখ্যমন্ত্রীর নীরবতা, বিরোধীদের আক্রমণ তীব্র

ডিএ আর বিচারাধীন বিষয় নয় বলে দাবি করলেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য খারিজ করে তিনি বলেন, সুপ্রিম কোর্ট এই বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশ দিয়েছে এবং এটি এখন ক্লোজড চ্যাপ্টার।সল্টলেকে সাংবাদিক বৈঠকে শুভেন্দু বলেন, মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেছেন ডিএ মামলা এখনও বিচারাধীন। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, মৌলিক অধিকার রক্ষা করতে হবে। কীভাবে এরিয়ার দিয়ে ডিএ মেটাতে হবে, তার রূপরেখাও শীর্ষ আদালত দিয়েছে। তাঁর দাবি, মার্চ মাসের মধ্যে ২৫ শতাংশ ডিএ না মেটালে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, মুখ্যমন্ত্রী বারবার বিচার ব্যবস্থাকে অপমান করছেন।একই দিনে বিজেপির সদর দফতরে সাংবাদিক বৈঠক করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদব। তিনি বলেন, রাজ্য সরকারি কর্মীদের কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত। তাঁর বক্তব্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি নিজের সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে আদালতে যাচ্ছেন। তিনি আরও বলেন, এসআইআর নয়, ডিএ সংক্রান্ত হতাশা থেকেই মানুষ চরম পদক্ষেপ নিয়েছেন। ডিএ ইস্যুতে রাজ্য সরকার চাইলে সুপ্রিম কোর্টে যেতে পারত বলেও মন্তব্য করেন তিনি।উল্লেখ্য, মঙ্গলবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী ডিএ মামলার প্রসঙ্গে বলেন, বিষয়টি বিচারাধীন, তাই তিনি এ নিয়ে কোনও মন্তব্য করবেন না। এই মন্তব্যকেই হাতিয়ার করেছেন বিরোধী দলনেতা।গত ৫ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি সঞ্জয় করোল ও বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রের বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ২৫ শতাংশ ডিএ মেটাতে হবে। ২০০৮ সাল থেকে বকেয়া এরিয়ারও দ্রুত পরিশোধ করতে হবে। পাশাপাশি অল ইন্ডিয়া কনজিউমার প্রাইস ইনডেক্স অনুযায়ী ডিএ দিতে হবে বলে স্পষ্ট করে দেয় আদালত। রাজ্যের পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, পঞ্চম বেতন কমিশন ও রিভিশন অফ পে অ্যান্ড অ্যালোয়েন্স রুল অনুযায়ী ডিএ দেওয়া হচ্ছে এবং রাজ্য ও কেন্দ্রের আর্থিক কাঠামোয় পার্থক্য রয়েছে। তবে আদালত AICPI অনুযায়ী ডিএ দেওয়ার নির্দেশ দেয়।এরপর ডিএ মেটানোর দাবিতে সংগ্রামী যৌথ মঞ্চ নবান্নে স্মারকলিপি জমা দিতে যায়। অনুমতি না পেয়ে তারা ট্রাফিক গার্ডের কাছেই স্মারকলিপি জমা দেয়। সংগঠনের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষ বলেন, সাবজুডিস আর জুডিশিয়ারির পার্থক্য বোঝা উচিত। রাজ্য সরকার আর্থিক সঙ্কটের কথা বললেও বিভিন্ন প্রকল্প ঘোষণা করছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।ডিএ ইস্যুতে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি আবারও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সরকারি কর্মীদের বকেয়া ডিএ ও এরিয়ার মেটানো নিয়ে এখন নজর মার্চ মাসের দিকেই।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
দেশ

সরকারি অনুষ্ঠানে এবার বাধ্যতামূলক ‘বন্দে মাতরম’! বড় নির্দেশ শাহের মন্ত্রকের

সরকারি অনুষ্ঠানে এবার থেকে রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম গাওয়া এবং বাজানো বাধ্যতামূলক করা হল। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক এই বিষয়ে নতুন নির্দেশিকা জারি করেছে। সেখানে বলা হয়েছে, যদি রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম এবং জাতীয় সঙ্গীত জনগণমন একসঙ্গে গাওয়া বা বাজানো হয়, তবে প্রথমে বন্দে মাতরম বাজাতে হবে। এছাড়া গান চলাকালীন উপস্থিত সকলকে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে।নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, বন্দে মাতরম-এর পূর্ণ ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ডের সংস্করণ, যাতে মোট ছয়টি স্তবক রয়েছে, সেটিই সরকারি অনুষ্ঠানে গাওয়া বা বাজানো উচিত। এতদিন সাধারণত দুটি স্তবক গাওয়া হত। বাকি চারটি স্তবক বাদ থাকত। নতুন নিয়মে ছয়টি স্তবকই গাইতে হবে।জাতীয় পতাকা উত্তোলনের সময়, সরকারি অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতির আগমন ও প্রস্থানকালে, জাতির উদ্দেশে রাষ্ট্রপতির ভাষণের আগে ও পরে রাষ্ট্রীয় গীত বাজানো হবে। পদ্ম সম্মান প্রদান অনুষ্ঠানেও বন্দে মাতরম বাজানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। একইভাবে রাজ্যপালের আগমন ও ভাষণের আগে এবং পরে এই গান গাওয়া বা বাজানো হবে। তবে সিনেমা হলে বন্দে মাতরম গাওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়নি।উল্লেখ্য, জাতীয় সঙ্গীত জনগণমন গাইতে সময় লাগে ৫২ সেকেন্ড। তার তুলনায় বন্দে মাতরম-এর পূর্ণ সংস্করণ গাইতে সময় লাগবে ৩ মিনিট ১০ সেকেন্ড। রাষ্ট্রীয় গীত বন্দে মাতরম-এর সার্ধশতবর্ষ উপলক্ষে কেন্দ্র বছরভর নানা কর্মসূচি নিয়েছে। সেই প্রেক্ষিতেই এই নতুন নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে বলে জানা গেছে।এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্কও শুরু হয়েছে। তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার বলেন, হঠাৎ করে বন্দে মাতরম নিয়ে নতুন করে কথা বলা হচ্ছে। গানটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় লিখেছিলেন এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সুর দিয়েছিলেন। তবে তাঁর অভিযোগ, পরের স্তবকগুলো নিয়ে বিভাজনের রাজনীতি করা হতে পারে।কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে একদিকে সমর্থন, অন্যদিকে প্রশ্নদুইই সামনে এসেছে। সরকারি অনুষ্ঠানে বন্দে মাতরম বাধ্যতামূলক করার এই নির্দেশিকা নিয়ে দেশজুড়ে এখন আলোচনা শুরু হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
বিদেশ

দুপুরে হাইস্কুলে ঢুকে গুলি! মুহূর্তে লাশের স্তূপ, কাঁপছে কানাডা

কানাডার একটি হাইস্কুলে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি চালালেন এক মহিলা বন্দুকবাজ। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। আহত হয়েছেন অন্তত ২৫ জন। হামলাকারীরও মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, নিজের বন্দুকের গুলিতেই তিনি জখম হন এবং পরে মারা যান। কেন তিনি এই হামলা চালালেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।ঘটনাটি ঘটেছে ব্রিটিশ কলম্বিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলের একটি হাইস্কুলে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার দুপুর প্রায় ১টা ২০ মিনিট নাগাদ হঠাৎই গুলির শব্দে কেঁপে ওঠে গোটা এলাকা। স্কুলে সপ্তম থেকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা হয়। মোট পড়ুয়ার সংখ্যা প্রায় ১৭৫। পুলিশ জানিয়েছে, স্কুলের কর্মী ও পড়ুয়া মিলিয়ে অন্তত ১০০ জনকে নিরাপদে বাইরে বের করে আনা হয়েছে।পুলিশ স্কুলে ঢুকে এক জায়গায় ৬ জনকে মৃত অবস্থায় দেখতে পায়। অন্য একটি অংশ থেকে উদ্ধার হয় আরও ২ জনের দেহ। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে আরও একজনের মৃত্যু হয়। সব মিলিয়ে ৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন। আহতদের মধ্যে অন্তত দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। মৃতদের মধ্যে কতজন পড়ুয়া রয়েছে, তা এখনও জানানো হয়নি।হামলাকারী মহিলা একাই এই হামলা চালিয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হলেও, অন্য কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। ঘটনার পর শোকপ্রকাশ করেছেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নে। তিনি মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।একজন নবম শ্রেণির পড়ুয়া স্থানীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, গুলির শব্দ শোনার পর সে সহপাঠীদের সঙ্গে একটি ঘরে লুকিয়ে ছিল। আতঙ্কে কাঁপছিল সবাই।এর আগে ২০২০ সালে নোভা স্কোটিয়ায় এলোপাথাড়ি গুলির ঘটনায় বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছিল। সেই স্মৃতি এখনও তাজা। ফের স্কুলে এই ভয়াবহ হামলার ঘটনায় স্তব্ধ কানাডা।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬
কলকাতা

নির্বাচন কমিশনে জমা তালিকা নিয়ে কারচুপি? শেষ পর্যায়ে নতুন বিতর্ক

এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ পর্যায়ে পৌঁছালেও বিতর্ক থামছে না। এবার রাজ্য সরকার অভিযোগ তুলেছে, জাতীয় নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া গ্রুপ-বি আধিকারিকদের নামের ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা চলছে। এই নিয়ে প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে নবান্ন। কারা এই ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা করছে, তা স্পষ্ট না করলেও স্বার্থান্বেষী মহল-এর বিরুদ্ধে সরাসরি অভিযোগ আনা হয়েছে।রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এসআইআর-এর কাজের জন্য জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে মোট ৮৫০৫ জন গ্রুপ-বি আধিকারিকের নাম জমা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার নবান্নের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়, সেই তালিকাই ইচ্ছাকৃতভাবে বিকৃতভাবে উপস্থাপনের অপচেষ্টা চলছে।বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, কিছু স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া গ্রুপ-বি আধিকারিকদের নামের ডেটাবেস বিকৃত করার চেষ্টা করছে। রাজ্যের দাবি, নির্বাচন কমিশনে যে তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে, তা সম্পূর্ণভাবে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অর্থ দফতরের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে নির্ধারিত পে-লেভেল মানদণ্ড মেনেই প্রস্তুত করা হয়েছে।নবান্ন আরও জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের ৯ ফেব্রুয়ারির পর্যবেক্ষণের পরই এই তালিকা জমা দেওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের গ্রুপ এ, বি, সি ও ডি হিসেবে যে শ্রেণিবিভাগ রয়েছে, তা বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত। সেই নিয়ম মেনেই অত্যন্ত সতর্কতা ও স্বচ্ছতার সঙ্গে গ্রুপ বি কর্মচারীদের তালিকা তৈরি করে কমিশনে পাঠানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এতে কোনও অনিয়ম বা বিচ্যুতি হয়নি বলেও স্পষ্ট জানানো হয়েছে।নবান্নের বক্তব্য, সম্প্রতি যে অনিয়ম বা কারচুপির অভিযোগ তোলা হচ্ছে, তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও মনগড়া। বাস্তবের সঙ্গে তার কোনও সম্পর্ক নেই বলেও দাবি করা হয়েছে।তবে কিছু স্বার্থান্বেষী মহল বলে কাকে ইঙ্গিত করা হয়েছে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনা শুরু হয়েছে। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, এসআইআর প্রক্রিয়ার শেষ পর্যায়েও রাজ্য সরকার ও নির্বাচন কমিশনের মধ্যে যে চাপানউতোর চলছে, এই বিজ্ঞপ্তি তারই ইঙ্গিত দিচ্ছে। পরিস্থিতি কোন দিকে গড়ায়, এখন সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।

ফেব্রুয়ারি ১১, ২০২৬

Ads

You May Like

Gallery

265-year-old "Mukhopadhyay House" in Bhavanandpur, Kalnar, played vermilion on Dasami during Durga Puja
BJP candidate Locket Chatterjee campaigned on the banks of the Ganges from Chandannagar Ranighat to Triveni Ghat wishing New Year.
A living depiction of history with a touch of color, everyone is enthralled by the initiative of the Eastern Railway
Sucharita Biswas actress and model on Durga Puja
Lord Kalabau came up in palanquin; Navapatrika walked towards the mandap - the puja started
On Sunday, the 'Hilsa festival' is celebrated in the city with great joy.
Check out who has joined Mamata's new cabinet
Take a look at the list of recipients at the Bangabibhushan award ceremony
If you are grassroots, you will get ration for free. Lakshmi Bhandar, Kanyashree, Swastha Sathi, Krishakbandhu, Oikyashree, Sabujsathi — you will get all.

Categories

  • কলকাতা
  • রাজ্য
  • দেশ
  • বিদেশ
  • রাজনীতি
  • খেলার দুনিয়া
  • বিনোদুনিয়া
  • সম্পাদকীয়
  • নিবন্ধ
  • ভ্রমণ
  • রাশিফল
  • টুকিটাকি
  • চিত্রহার
  • বিবিধ
  • ভিডিও

Company

  • About Us
  • Advertise
  • Privacy
  • Terms of Use
  • Contact Us
Copyright © 2026 Janatar Katha News Portal